Showing posts with label Tips. Show all posts
Showing posts with label Tips. Show all posts
রমজান মাসে স্বামী স্ত্রীর মিলন সংক্রান্ত ৬টি মাস্য়ালা
প্রশ্ন: রমজান মাসে স্বামী স্ত্রী যৌনমিলন বা সহবাস করা যাবে কি?
উত্তরঃ আপনি রমজান মাসে রোজা রেখে যৌনমিলন করতে পারবেন না আর এতে আপনার রোজা তো ভাঙবেই এবং এটা সম্পূর্ন হারাম।হ্যা তবে রোজা ভাঙ্গার পর সঙ্গম করতে পারবেন ।
প্রশ্নঃ মেয়েদের পিরিয়ড বা মাসিক শুরু হলে রোজা রাখার নিয়ম কি?
মাসিক বা ঋতুস্রাব চলাকালীন রোজা রাখা যায় না। আর এতে কোন গোণাহ হবে না।
রমজান মাসে দিনের বেলায় যে ব্যক্তি যৌনমিলন করে তিনি মুকীম (নিজ অঞ্চলে অবস্থানকারী) রোযাদার হলে তার উপর বড়-কাফ্ফারা (আল কাফ্ফারাতুল মুগাল্লাযাহ) ওয়াজিব হয়। আর তা হল একজন দাস মুক্ত করা। যদি তা না পায় তাহলে একাধারে দুইমাস সিয়াম পালন করা। আর যদি তাও না পারে তবে ৬০ জন মিসকীনকে খাওয়ানো।
একইভাবে যে ব্যক্তি কোনো অনিবার্য প্রয়োজনে রোযা ভেঙ্গে ফেলেছে (যেমন কোন নিরপরাধ মানুষকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানোর নিমিত্তে) ঐ ব্যক্তি সেই দিন যদি যৌনমিলন করে, যেইদিন অনিবার্য প্রয়োজনে রোযা ভেঙ্গে ফেলেছে তবে তার উপর কোন কিছু ওয়াজিব হবে না। কারণ এক্ষেত্রে সে ব্যক্তি কোন ওয়াজিব রোযা ভঙ্গ করেনি।
নিজ অঞ্চলে অবস্থানকারী (মুকীম) রোযাদার যদি যৌনমিলন করে রোযা ভেঙ্গে ফেলে যার উপর রোযা রাখা বাধ্যতামূলক তার উপর পাঁচটি জিনিস বর্তাবে-
১। সে গুনাহগার হবে।
২। তার সেই দিনের রোযা নষ্ট হয়ে যাবে।
উত্তরঃ আপনি রমজান মাসে রোজা রেখে যৌনমিলন করতে পারবেন না আর এতে আপনার রোজা তো ভাঙবেই এবং এটা সম্পূর্ন হারাম।হ্যা তবে রোজা ভাঙ্গার পর সঙ্গম করতে পারবেন ।
প্রশ্নঃ মেয়েদের পিরিয়ড বা মাসিক শুরু হলে রোজা রাখার নিয়ম কি?
মাসিক বা ঋতুস্রাব চলাকালীন রোজা রাখা যায় না। আর এতে কোন গোণাহ হবে না।
রমজান মাসে দিনের বেলায় যে ব্যক্তি যৌনমিলন করে তিনি মুকীম (নিজ অঞ্চলে অবস্থানকারী) রোযাদার হলে তার উপর বড়-কাফ্ফারা (আল কাফ্ফারাতুল মুগাল্লাযাহ) ওয়াজিব হয়। আর তা হল একজন দাস মুক্ত করা। যদি তা না পায় তাহলে একাধারে দুইমাস সিয়াম পালন করা। আর যদি তাও না পারে তবে ৬০ জন মিসকীনকে খাওয়ানো।
আরও দেখে আসতে পারেন রমজান মাসে স্বামী স্ত্রীর জন্য যা হারাম
যদি
নারী সন্তুষ্টচিত্তে যৌনমিলনে সাড়া দেয় তাহলে একই বিধান নারীর ক্ষেত্রেও
প্রযোজ্য। আর যদি জোরপূর্বক নারীর সাথে সহবাস করা হয় তাহলে তার উপর কোন
জরিমানা ওয়াজিব হবে না। আর যদি স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মুসাফির হয় তবে সহবাসের
কারণে তাদের কোন গুনাহ হবে না, তাদের উপর কোন কাফ্ফারাও ওয়াজিব হবে না এবং
দিনের বাকি অংশ পানাহার ও যৌনমিলন থেকে বিরত থাকাও ওয়াজিব হবে না। শুধু
তাদের উভয়কে ঐদিনের রোযা কাযা করতে হবে। যেহেতু মুসাফির অবস্থায় রোযা পালন
করা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।একইভাবে যে ব্যক্তি কোনো অনিবার্য প্রয়োজনে রোযা ভেঙ্গে ফেলেছে (যেমন কোন নিরপরাধ মানুষকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানোর নিমিত্তে) ঐ ব্যক্তি সেই দিন যদি যৌনমিলন করে, যেইদিন অনিবার্য প্রয়োজনে রোযা ভেঙ্গে ফেলেছে তবে তার উপর কোন কিছু ওয়াজিব হবে না। কারণ এক্ষেত্রে সে ব্যক্তি কোন ওয়াজিব রোযা ভঙ্গ করেনি।
নিজ অঞ্চলে অবস্থানকারী (মুকীম) রোযাদার যদি যৌনমিলন করে রোযা ভেঙ্গে ফেলে যার উপর রোযা রাখা বাধ্যতামূলক তার উপর পাঁচটি জিনিস বর্তাবে-
১। সে গুনাহগার হবে।
২। তার সেই দিনের রোযা নষ্ট হয়ে যাবে।
মস্তিষ্ক ক্যান্সারে মোবাইল ফোন কি আসলেই দায়ী?
মোবাইল ফোন ব্যবহারের সঙ্গে মস্তিষ্কের ক্যান্সারের কোনো সম্পর্ক নেই – অস্ট্রেলিয়ায় দীর্ঘদিন যাবত চলতে থাকা এক গবেষণায় উঠে এসেছে এ তথ্য।
ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড মিরর জানায়, গবেষকেরা ১৯৮২ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দেশটিতে মস্তিষ্কের ক্যান্সারের ঘটনার হিসেবের ওপর ভিত্তি করে এ গবেষণাকাজ পরিচালনা করেন। এতে দেখা যায়, এ ৩০ বছরে দেশটির পুরুষদের মধ্যে মস্তিষ্ক ক্যান্সারের সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও নারীদের মধ্যে এ সংখ্যা স্থিতিশীল। আর মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে মস্তিষ্কে ক্যান্সার হতে পারে – এমন কোনো প্রমাণ পরিসংখ্যানে পাওয়া যায়নি।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৭ সাল থেকে দেশটিতে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ক্রমবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালে দেশটিতে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা সম্পূর্ণ জনসংখ্যার শতকরা ৯৪ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে।
প্রেম নিবেদন করবেন ? জেনে নিন ভালবাসার ১০টি পৃথিবীবিখ্যাত পংক্তি
ভালোবাসার মানুষকে দুর থেকে ভালোবেসে যাই। মুখ ফুটে বলার সাহসিকতা এবং ভাষা খুজে পাই না।
এই ভাবে আর কতদিন দুরে থেকে ভালোবেসে যাবো। যদি তার আগে ভালোবাসার মানুষটাকে হারিয়ে ফেলি। যদি চলে যায় অন্যের ঘরে। তখন শুধু কষ্ট আর বেদনা নিয়ে চোখেঁর জল ঝরাতে পারেন কিন্তু পছন্দের সেই মানুষকে আর পাওয়া যাবে না।
আর তাছাড়া যাকে ভালবাসেন তাকে আজ না হোক ভালবাসার কথা তো বলতেই হবে। কিন্তু কীভাবে বলবেন? কী বলে মন জয় করে নেবেন তার? রইল প্রেম নিবেদনের পৃথিবীবিখ্যাত
১০টি পংক্তি। এগুলো থেকে শিক্ষা নিন, অনুপ্রাণিত হোন। তারপর তৈরি করে নিন নিজের ভালবাসার সঠিক অভিব্যক্তি—
মেয়েদের চোখে আদর্শ প্রেমিকের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকা দরকার?
মেয়েদের চোখে আদর্শ প্রেমিকের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকা দরকার? এই নিয়ে নানা মুনির নানা মত। তবে বিস্তর পর্যালোচনার শেষে নারীর মনের মতো পুরুষ হয়ে ওঠার কয়েকটি টিপস দিয়েছেন মনোবিদ ডায়ানা কার্শনার।
১) যত্নশীল পুরুষ মানেই ‘হট’ অনুভূতিপ্রবণ পুরুষ মেয়েদের মনের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন। সঙ্গীনি কোনো কারণে ভেঙে পড়লে তাঁকে আশ্বস্ত করতে কিছু আচরণ জরুরি। ওঁকে বোঝার চেষ্টা করুন। কাঁধে আলতো হাতের স্পর্শ আর কিছু নরম কথা আপনাকে ওঁর মনের অনেক কাছাকাছি এনে দেবে।
২) শিভালরি এখনো প্রাসঙ্গিক প্রেমের প্রশ্নে পৌরুষ প্রদর্শনের জবাব নেই। গাড়িতে ওঠা-নামার সময় প্রেমিকা বা বান্ধবীর জন্য দরজা খুলে দেওয়া, সিগারেট ধরানোর আগে অনুমতি নেওয়া অথবা লিফটে ঢোকা বা বেরনোর সময় সরে দাঁড়িয়ে জায়গা করে দেওয়ার মতো ঘটনায় নারী মাত্রেই খুশি হন এবং পুরুষের আচরণের তারিফ করেন।
কিভাবে বাংলাদেশের ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলছে?
দৃশ্য ১: সময় ২০০০ সাল- জনাব কামরুল একটি নতুন ফোন কিনতে চান, তার
বাজেট ১০,০০০/= টাকা। ফোন কেনার পূর্বে এই সম্পরকিত তথ্য জানার জন্য তিনি
বন্ধু-বান্ধবকে জিজ্ঞেস করা শুরু করেন, শপিং মলে খোঁজ খবর নেন, সংবাদপত্র
থেকে তথ্য নেন এবং এছাড়াও অন্য আরও যেখান থেকেই সম্ভব তত্থ্য জোগাড় করেছেন।
তারপরেও তিনি কোন ফোনটি কেনা উচিত সেই ব্যাপারে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিত হতে
পারেননি।
রমযান মাসের ফজিলত ও মাসের রোজা রাখা সম্পর্কে কি বলে ইসলাম!
ইফতারের দোয়া : “আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন”
অর্থ : হে আল্লাহ। আমি আপনার জন্য রোজা রেখেছি এবং আপনার দেয়া রিজিক দ্বারা ইফতার করছি।
সুনানে আবু দাউদ : ২৩৫৮
★ সেহরীর নিয়্যত :
নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রামাদানাল মুবারাকি, ফারদ্বাল্লাকা ইয়া আল্লাহ ফাতাকাব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আনতাস সামীউল আলীম।
অর্থ :হে আল্লাহ পাক! আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকালের রমাদ্বান শরীফ-এর ফরয রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা , সর্বজ্ঞাত।
কেউ স্ট্রোক করলে কি করবেন? জেনেনিন ১০০%উপকার পাবেন
চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে – কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তার মস্তিষ্ক কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়।মানুষের ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।
যদি দেখেন স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরানো যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও চলবে , আপনি কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে জীবাণুমুক্ত হয় এবং তারপর রোগীর হাতের 10আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত করতে এটি ব্যবহার করুন।এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়,
গৃহীনির দৈনন্দিন সাংসারিক ২০১ টিপস্
একজন মেয়ে বা একজন নারীকে প্রতিদিন সংসারে অনেক কিছু করতে হয়, অনেক কিছু সামলাতে হয় এবং সংসারের প্রায় পতিটি জিনিস নিজ হাতে গোছাতে হয়। সেজন্য তাদের জানতে হয় অনেক কিছু। আজকের এই পোষ্টটি নারীদের জন্য লিখলাম::
- হীরের গয়নায় জেল্লা আনতে এক টুকরো চক হীরেরত ঘষে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন।
- সোনার গয়নাকে পরার আগে থেঁতো করা কাঁচা হলুদ বা হলুদগুড়ো দেয়া পানিতে সারা রাত ধরে ভিজিয়ে রেখে তুলে পরিষ্কার কাপড় বা তুলো দিয়ে ভালো করে মুছে নিন। উজ্জ্বলতা বাড়বে।
- দীর্ঘ দিন ব্যবহারের ফলে সোনার গয়নার উজ্জ্বলতা কমে গেলে ব্যবহার করার পর সিঁদুর মাখিয়ে রাখুন। কুমড়োর রস বা আমরুল শাকের রস দিয়ে সোনার গয়না সাফ করা যায়। এতে চকচক করবে গয়না।
- সোনা, রুপোর গয়নার গায়ে টুথপেস্ট ঘসে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন। পানি দিবে না , এত গয়না খুব পরিষ্কার হবে।
পুরুষের যে গুণে মজে মেয়েদের মন
অনেক দিন ধরেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কিছুতেই মনের মানুষটার পছন্দের ব্যক্তি হতে পারছেন না। আসলে প্রেম তো আর বলে আসে না। বয়সও মানে না।
প্রেমে পড়লেই মন আনচান। কিন্তু একতরফা হলেই তো হল না। অন্য দিক থেকেও তো সবুজ সঙ্কেত পেতে হবে।
বহু ছেলেই বুঝতে পারে না, কেন তাঁকে মেয়েটি পছন্দ করে না।
প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণটি কিছুতেই মাথায় আসে না। আসলে মেয়েরা ছেলেদের মধ্যে কিছু বিষয় খোঁজে। সেই বিষয়গুলি মিলে গেলেই ব্যস! কেল্লাফতে। কী সেই বিষয়গুলি, দেখে নেওয়া যাক।
১. ধনী ও সুপ্রতিষ্ঠিত
সুখে জীবন কাটাতে সব মহিলারাই চান। বিশেষ করে আর্থিক
নিরাপত্তা না থাকলে, মহিলাদের মনের মানুষ হয়ে ওঠা মুশকিল।
সমীক্ষা বলছে, বেশির ভাগ মহিলাই বিলাসবহুল জীবনযাপন করে,এমন ছেলেকে পছন্দ করে। তাই ধনী পুরুষ সব সময়ই মহিলাদের প্রথম পছন্দ।
২. জনপ্রিয় খ্যাতি কে না চায়? সব সময় একেবারে জনপ্রিয় তারকা হতে হবে, এরকম কোনও ব্যাপার নয়। তবে যে সব ছেলেরা সামাজিক ভাবে বেশ জনপ্রিয় বা কোনও একটি বিষয়ে বেশ পারদর্শী ও খ্যাত, সেই সব পুরুষরা মেয়েদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকে।
৩. ফ্যাশন সচেতন স্টাইল ও ফ্যাশনের একটা মহিমা আছেই। পোশাক সম্পর্কে সচেতন না হলে, মহিলাদের চোখেও তলানিতে থাকবে যে কোনও পুরুষ।
কোনও পুরুষকে যা মানাচ্ছে না, তা যদি তার চোখে না পড়ে, তাহলে প্রেম সারা জীবন একতরফাই রয়ে যাবে।
৪. উচ্চতা ও চুলের বাহার খুব লম্বা না হলেও, বেশির ভাগ মেয়েই তাঁর থেকে বেঁটে পুরুষকে পছন্দ করেন না। একই সঙ্গে মাথায় টাক থাকলে তো বাতিলের খাতায় প্রথমেই নাম থাকবে। প্রথম দর্শনে এই দু’টি বিষয় প্রত্যেক মহিলাই লক্ষ করে।
৫. যত্নশীল ও দায়িত্ব সচেতন বেশির ভাগ মহিলার কাছেই আদর্শ পুরুষ হন, তাঁর বাবা। কারণ বাবার যত্নশীল ছায়াতেই বড় হয়ে ওঠা। তাই কোনও পুরুষের সঙ্গে প্রেম করতে গিয়ে প্রথমেই তাঁর মধ্যে নিজের বাবার মতো একজন দায়িত্বশীল ও যত্নবান পুরুষকে খোঁজে সব মহিলাই।
৬. এক নারীতেই মন যে সব ছেলেদের প্রচুর মহিলা বন্ধু, তাদেরকে সাধারণত জীবনসঙ্গী করার ক্ষেত্রে এড়িয়েই যান মহিলারা। আসলে বেশির ভাগ মহিলাই চান, তাঁর সঙ্গী তাঁর প্রতিই মজে থাকবে। অন্য কোনও মহিলাকে মনে জায়গা দেবেন না।
মেয়েদের যে ১১ টি গোপন ইচ্ছার কথা কাউকে জানতে দেয় না
১) কারো ভালো লাগুক বা না লাগুক, এ কথা অস্বীকারের কোনই উপায় নেই যে প্রত্যেক নারীই আর্থিকভাবে সচ্ছল কোন পুরুষকে বিয়ে করতে চান।
নারীদের একটা বড় অংশই চান স্বামী পুরুষটি হোক ধনী। আর্থিকভাবে সচ্ছল কোন পুরুষ।
২) অধিকাংশ নারীই মনে মনে চান যে বিয়ের পর তাঁর নিজের সংসার হবে। শ্বশুর-শাশুড়িকে নিয়ে থাকতে নারাজ আজকালকার মেয়েরা। কিন্তু এটা তাঁরা মুখে স্বীকার করেন না মোটেও।শ্বশুর- শাশুড়িকে নিয়ে ৩) বান্ধবীদের মাঝে সবচাইতে সুন্দরী ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে চান সকল নারী। তবে হ্যাঁ, অবশ্যই মনে মনে । বান্ধবীদের মাঝে সবচাইতে সুন্দরীঃ ৪) যতই মুখে বলুন “কালোতেই আলো”, প্রকৃত
সত্য এটাই যে আমাদের সমাজের অধিকাংশ নারীই চান ফর্সা গায়ের রঙের অধিকারী হতে।মুখে বলুন কালোতেই আলো ৫) প্রায় সমস্ত নারীই মনে মনে এমন স্বামী বা বয় ফ্রেন্ড কামনা করেন, যাকে সকলের সামনে গর্ব ভরে পরিচয় করিয়ে দেয়া যায়। ৬) মুখে যতই বলুন যে ওজন নিয়ে মাথা ঘামান না, কিন্তু স্লিম ও সুন্দরের ফিগারের অধিকারী হতে চান সকল নারী। স্লিম ও সুন্দরের ফিগার ৭) ঈর্ষা কাতর হবার প্রবণতা কিন্তু নারীদের মাঝে মারাত্মক বেশি। অন্য মেয়েদের জীবনের অর্জন দেখে মনে মনে সেটা চান প্রায় সকল নারীই। ঈর্ষা কাতর।
৮) কেউ বলেন, কেউ বলেন না।
আজকাল অনেক নারীই সংসারকে গুরুত্ব দিতে চান না। তবে মুখে মুখে যাই বলুন না কেন একটি সুন্দর সংসার ও সন্তানদের স্বপ্ন সব নারী দেখেন। প্রকৃতি নারীকে এভাবেই তৈরি করেছে। নিজের প্রিন্স চার্মিং এর স্বপ্ন সব নারী দেখেন।
৯) পৃথিবীর প্রত্যেকটি নারী চান পছন্দের পুরুষটি তাঁর সব কথা শুনুক, তাঁকে ছাড়া কিছু চিন্তা করতে না পারুক।
১০) পুরুষেরা বয়স নিয়ে মাথা না ঘামালেও প্রায় প্রত্যেক নারী এটাই চান যে তাঁর চেহায়ার বয়সের ছাপ কখনো না পড়ুক।
১১) নিজের স্তন নারীর খুব স্পর্শকাতর জায়গা।
মুখে কিছু না বললেও প্রত্যেক নারীই চান সুন্দর ও আকর্ষণীয় স্তনযুগল।
আশা করি বুজতে পারছেন।একটা কমেন্ট করে আপনার মতামত জানালে খুশি হতাম।
প্রেম করার সেরা দশটি নিয়ম । ভাগ্যে থাকলে ঠেকায় কে!
শতযুগ ধরে মেয়েদের নিয়ে কত গল্প উপন্যাস আর কবিতা লেখা হয়ে আসছে।
মেয়েদের দীঘল কাল চুল আর কাজল কালো চোখ। আবার কারো কাছে হরিনি চোখ আর কারো
কাছে মায়াবী। মেয়ের পায়ের নুপুর নিয়ে কত গান,মেয়ের নগ্ন পায়ের চলন নিয়েও কত
চিন্তা চেতনা। আর যখনই মেয়েদের কথা বলা হয় তখনই যেটা সবার প্রথম মনে উঁকি
দেয় তা হল প্রেম-ভালবাসা ।
আসলে ভালবাসা তো সবখানেই। শুধু ধরণটা আলাদা। মা আর সন্তান, ভাই বোন, জিগরি দোস্ত। ভালবাসা এমন এক জিনিস যেকোন সময় যে কারো জন্য তৈরি হতে পারে। পথের মানুষের প্রতি ভালবাসা। কেউ বা আবার গাছ ভালবাসে আবার কেউ পশু। এমনকি পশুদের মাঝেও আছে ভালবাসা।
তবুও এইসব ভালবাসাকে উপেক্ষা করে যেটা মানুষের কাছে মুখ্য হয়ে উঠে তা হল একজন ছেলে মেয়ে যাদের মাঝে বিয়ের সম্পর্ক সম্ভব তাদের ভালবাসা। সেখানে বয়স, ধর্ম, গোত্র, চেহারা এমনকি ভাষাও কোন ব্যাপার না। এই ভালবাসার হাত থেকে তো নবী হওয়া সত্ত্বেও ইউসুফ নবী বাচতে পারেননি। সম্রাটের স্ত্রী যাকে জুলেখা (আসল নাম মনে আসছেনা। তার অন্য একটা নাম আছে যা ধর্মগ্রন্থে পাওয়া যাবে) বলা হত সে ইউসুফ আঃ এর প্রেমে পড়েছিলেন। নবী হবার কারনে স্বাভাবিক ভাবেই এইসব তাকে কখনও আকৃষ্ট করতে পারেনি। কিন্তু নারীর এমন ভালবাসা শেষে সফল হয়েছিল। শেষ বয়সে তাদের বিয়ে হয়েছিল। শাহজাহান স্ত্রীর প্রেমে গড়ে ছিলেন তাজমহল। আজকের দিনে বলিউডের কিং শাহরুখ খানের ভালবাসাও ছিল ভিন্ন ধরনের।
যাই হোক এই কথাই বলতে চাচ্ছি যে এই প্রেম ভালবাসার বিষয়টা যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। আর নারীর প্রতি পুরুষের এক আকর্ষন সেটাও জন্ম আজন্ম ধরে চলে আসছে। আর এরই ফলস্বরুপ আপনি নিজেও কারো না কারো সাথে প্রেম করেন বা কারো প্রেমে পড়েছেন বা কারো প্রেমে পড়বেন। স্কুল জীবন থেকে দেখে আসছেন ক্লাসের কোন মেয়ের প্রতি আপনার দুর্বলতা বা পাড়ার কোন মেয়েকে আপনি চুপ চুপ করে দেখছেন বা বন্ধুর প্রেমিকাকে নিয়ে আপনি স্বপ্ন দেখছেন ।
আগেকার দিনে প্রেম করা যেমন কঠিন ছিল তেমন সেই প্রেম ভুলাও কঠিন ছিল । সমাজ তখন এর পুরোই বিপরীতে ছিল যা আজকের দিনে অনেক অনেক কমে গেছে। বাবা মা ছেলে মেয়ের পছন্দকে প্রাধান্য দিচ্ছে।
কিন্তু এই আজকের দিনে প্রেমের গুরুত্বটা কমে গেছে অনেকাংশে। এই জন্য আজ দেখা যায় একই সাথে অনেকগুলি প্রেম করতে। তাহলে সেটা নিঃশ্চয় ভাল লাগা বলা যাবে না। আসলে এটা একটা খেলার মত।
তবে আজও যে আপনি সত্যি ভালবাসা পাবেন না তা নয়। আজও হচ্ছে। আজও কেউ কারো জন্য নীরবে নিভৃতে কাদছে ।
এখন যে যে ভাবেই প্রেম করুক সেটা তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। তবে সবার এই ব্যাপারে খেয়াল করা উচিত কেউ যেন আমাকে সারা জীবন মনে করে কষ্ট না পায় । কেননা এই জীবন এই যৌবনের স্বাদ সারা জীবন পাবেনা। কিন্তু ভালবাসা সারা জীবন আপনাকে মজা দিতে থাকবে। যৌবন খুজে খুজে পাবেন ভালবাসার মাঝেই।
তো শুরু করা যাক। কিভাবে হতেও পারে আপনার ভালবাসার শুরু। আর শেষটা তো আপনার হাতে।
মেয়েদের মন বুঝা বড়ই কঠিন কাজ । এখানে সেখানে যতই বলা হোক যে মেয়ে পটানো খুব সহজ আসলে ব্যাপারটা তা নয়।
প্রথমত একটা কথা যে মানুষের দৃষ্টি হল প্রেমের প্রথম রাস্তা। রাস্তায় কোন মেয়েকে দেখে ভাল লাগে আর এতেই আপনি তার পিছু নেন স্কুল কলেজ এমনকি তার বাড়ি পর্যন্ত। তো আপনার যেহেতু তাকে ভাল লাগে তো তাকেও তো আপনার ভাল লাগতে হবে। নাকি অগোছালো ভাবে চলে গেলন আর বলে দিলেন তাকে আপনার ভাল লাগে। তাই আপনার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া জরুরী। এর জন্য আপনাকে বুঝতে হবে কি ভাবে ড্রেসআপ করলে আপনাকে ভাল লাগে। চুল কিভাবে কাটলে ভাল লাগে।গায়ে গন্ধ আছে কিনা। ব্রাশ নিয়মিত হয় কিনা বা হলেও বন্ধুরা মুখের গন্ধে কাছেই আসেনা তাইলে তো মেয়ে আগেই । সবাই তো আর শাহরুখ হয়ে জন্মায় না । তাই বলে কি সবাই প্রেম করে না। সুতরাং নিজের দিকে নিজে খেয়াল করুন। নিজেকে আরো একবার আবিষ্কার করে দেখুন।
দ্বিতীয়ত সাহসী হয়ে উঠুন । তবে সাহসী হয়ে মারপিট করতে যাবেন না। কেননা আপনার এর চেয়ে আরও সাহস দরকার। কেননা তার সাথে আপনাকে পরিচিত হতে হবে। এর জন্য আপনাকে একটু চালাক হতে হবে। কেননা আমি জানিনা আপনি কাকে ভালবাসুন আর তার সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন। তার সাথে আপনার বয়সের পার্থক্য কত। এগুলি আপনার কাজ যে কিভাবে তার সাথে কথা বলবেন। কিভাবে ঘনিষ্ঠ হবেন।
তৃতীয়ত তাকে বুঝতে শিখুন। আপনি যদি তার সাথে কথা বলতে পারেন তো সেটা সে কিভাবে নিচ্ছে। আগেই বলেছি মেয়েদের বুঝা একটু কঠিন। সে হয়ত আপনাকে বুঝতে দিবেনা অনেক কিছুই। আর যদি কথা এখনও বলতে না পারেন তো তার দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করুন। আর ভাবুন কিভাবে কথা বলবেন।
চতুর্থত আপনি তার সাথে কথা বলে ফেলেছেন। কি বলেছেন সেটা আমি জানিনা। তবে নিঃশ্চয় প্রেমের প্রস্তাব দেননি। কেননা যদি না আপনি দেখতে শাহরুখ বা সালমানের মত না হন তবে রিজেক্ট হবার সম্ভাবনা আছে। এবং পরে হয়ত ট্রাই করলে খুব একটা কাজ হবে না। দেখুন না যদি আপনার খু
আসলে ভালবাসা তো সবখানেই। শুধু ধরণটা আলাদা। মা আর সন্তান, ভাই বোন, জিগরি দোস্ত। ভালবাসা এমন এক জিনিস যেকোন সময় যে কারো জন্য তৈরি হতে পারে। পথের মানুষের প্রতি ভালবাসা। কেউ বা আবার গাছ ভালবাসে আবার কেউ পশু। এমনকি পশুদের মাঝেও আছে ভালবাসা।
তবুও এইসব ভালবাসাকে উপেক্ষা করে যেটা মানুষের কাছে মুখ্য হয়ে উঠে তা হল একজন ছেলে মেয়ে যাদের মাঝে বিয়ের সম্পর্ক সম্ভব তাদের ভালবাসা। সেখানে বয়স, ধর্ম, গোত্র, চেহারা এমনকি ভাষাও কোন ব্যাপার না। এই ভালবাসার হাত থেকে তো নবী হওয়া সত্ত্বেও ইউসুফ নবী বাচতে পারেননি। সম্রাটের স্ত্রী যাকে জুলেখা (আসল নাম মনে আসছেনা। তার অন্য একটা নাম আছে যা ধর্মগ্রন্থে পাওয়া যাবে) বলা হত সে ইউসুফ আঃ এর প্রেমে পড়েছিলেন। নবী হবার কারনে স্বাভাবিক ভাবেই এইসব তাকে কখনও আকৃষ্ট করতে পারেনি। কিন্তু নারীর এমন ভালবাসা শেষে সফল হয়েছিল। শেষ বয়সে তাদের বিয়ে হয়েছিল। শাহজাহান স্ত্রীর প্রেমে গড়ে ছিলেন তাজমহল। আজকের দিনে বলিউডের কিং শাহরুখ খানের ভালবাসাও ছিল ভিন্ন ধরনের।
যাই হোক এই কথাই বলতে চাচ্ছি যে এই প্রেম ভালবাসার বিষয়টা যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। আর নারীর প্রতি পুরুষের এক আকর্ষন সেটাও জন্ম আজন্ম ধরে চলে আসছে। আর এরই ফলস্বরুপ আপনি নিজেও কারো না কারো সাথে প্রেম করেন বা কারো প্রেমে পড়েছেন বা কারো প্রেমে পড়বেন। স্কুল জীবন থেকে দেখে আসছেন ক্লাসের কোন মেয়ের প্রতি আপনার দুর্বলতা বা পাড়ার কোন মেয়েকে আপনি চুপ চুপ করে দেখছেন বা বন্ধুর প্রেমিকাকে নিয়ে আপনি স্বপ্ন দেখছেন ।
আগেকার দিনে প্রেম করা যেমন কঠিন ছিল তেমন সেই প্রেম ভুলাও কঠিন ছিল । সমাজ তখন এর পুরোই বিপরীতে ছিল যা আজকের দিনে অনেক অনেক কমে গেছে। বাবা মা ছেলে মেয়ের পছন্দকে প্রাধান্য দিচ্ছে।
কিন্তু এই আজকের দিনে প্রেমের গুরুত্বটা কমে গেছে অনেকাংশে। এই জন্য আজ দেখা যায় একই সাথে অনেকগুলি প্রেম করতে। তাহলে সেটা নিঃশ্চয় ভাল লাগা বলা যাবে না। আসলে এটা একটা খেলার মত।
তবে আজও যে আপনি সত্যি ভালবাসা পাবেন না তা নয়। আজও হচ্ছে। আজও কেউ কারো জন্য নীরবে নিভৃতে কাদছে ।
এখন যে যে ভাবেই প্রেম করুক সেটা তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। তবে সবার এই ব্যাপারে খেয়াল করা উচিত কেউ যেন আমাকে সারা জীবন মনে করে কষ্ট না পায় । কেননা এই জীবন এই যৌবনের স্বাদ সারা জীবন পাবেনা। কিন্তু ভালবাসা সারা জীবন আপনাকে মজা দিতে থাকবে। যৌবন খুজে খুজে পাবেন ভালবাসার মাঝেই।
তো শুরু করা যাক। কিভাবে হতেও পারে আপনার ভালবাসার শুরু। আর শেষটা তো আপনার হাতে।
মেয়েদের মন বুঝা বড়ই কঠিন কাজ । এখানে সেখানে যতই বলা হোক যে মেয়ে পটানো খুব সহজ আসলে ব্যাপারটা তা নয়।
প্রথমত একটা কথা যে মানুষের দৃষ্টি হল প্রেমের প্রথম রাস্তা। রাস্তায় কোন মেয়েকে দেখে ভাল লাগে আর এতেই আপনি তার পিছু নেন স্কুল কলেজ এমনকি তার বাড়ি পর্যন্ত। তো আপনার যেহেতু তাকে ভাল লাগে তো তাকেও তো আপনার ভাল লাগতে হবে। নাকি অগোছালো ভাবে চলে গেলন আর বলে দিলেন তাকে আপনার ভাল লাগে। তাই আপনার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া জরুরী। এর জন্য আপনাকে বুঝতে হবে কি ভাবে ড্রেসআপ করলে আপনাকে ভাল লাগে। চুল কিভাবে কাটলে ভাল লাগে।গায়ে গন্ধ আছে কিনা। ব্রাশ নিয়মিত হয় কিনা বা হলেও বন্ধুরা মুখের গন্ধে কাছেই আসেনা তাইলে তো মেয়ে আগেই । সবাই তো আর শাহরুখ হয়ে জন্মায় না । তাই বলে কি সবাই প্রেম করে না। সুতরাং নিজের দিকে নিজে খেয়াল করুন। নিজেকে আরো একবার আবিষ্কার করে দেখুন।
দ্বিতীয়ত সাহসী হয়ে উঠুন । তবে সাহসী হয়ে মারপিট করতে যাবেন না। কেননা আপনার এর চেয়ে আরও সাহস দরকার। কেননা তার সাথে আপনাকে পরিচিত হতে হবে। এর জন্য আপনাকে একটু চালাক হতে হবে। কেননা আমি জানিনা আপনি কাকে ভালবাসুন আর তার সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন। তার সাথে আপনার বয়সের পার্থক্য কত। এগুলি আপনার কাজ যে কিভাবে তার সাথে কথা বলবেন। কিভাবে ঘনিষ্ঠ হবেন।
তৃতীয়ত তাকে বুঝতে শিখুন। আপনি যদি তার সাথে কথা বলতে পারেন তো সেটা সে কিভাবে নিচ্ছে। আগেই বলেছি মেয়েদের বুঝা একটু কঠিন। সে হয়ত আপনাকে বুঝতে দিবেনা অনেক কিছুই। আর যদি কথা এখনও বলতে না পারেন তো তার দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করুন। আর ভাবুন কিভাবে কথা বলবেন।
চতুর্থত আপনি তার সাথে কথা বলে ফেলেছেন। কি বলেছেন সেটা আমি জানিনা। তবে নিঃশ্চয় প্রেমের প্রস্তাব দেননি। কেননা যদি না আপনি দেখতে শাহরুখ বা সালমানের মত না হন তবে রিজেক্ট হবার সম্ভাবনা আছে। এবং পরে হয়ত ট্রাই করলে খুব একটা কাজ হবে না। দেখুন না যদি আপনার খু
প্রেমের সময়ে যে ৬টি ভুল বিবাহিত জীবনে ডেকে আনে অশান্তি !
দুজন মানুষ হৃদয়ের টানে কাছে আসে,
একজন আরেকজনকে ভালোবাসে।
তৈরি হয় সুন্দর একটা সম্পর্ক।
ভালোবাসার সম্পর্কই গড়ায় বিয়ের সম্পর্কের দিকে। ফলে পরিণয়ের পরিণতি হয় সুন্দর একটা সংসার। তবে সব সময়েই কি ভালোবাসার মানুষের সাথে বিয়ে হয়? হয় না! তাই বলে তো জীবন থেমে থাকে না। মানুষ বিয়ে করে অন্য কাউকে করে যেতে থাকে সংসার। সেই সংসার যে সুখের হয় না, তাও নয়। সুখের হয় এবং অনেক সময় এ ভাবনাও মনে উঁকি দিয়ে যায় যে, এ মানুষটিই আমার জন্য “পারফেক্ট”! কিন্তু প্রেমের সময় করা কিছু ভুল কেড়ে নিতে পারে আপনার সংসারের শান্তি। ছারখার করে দিতে পারে আপনার সুখের জীবন। এটা যে শুধু প্রেমিক বা প্রেমিকা ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করলে হবে তা নয়, ভালোবাসার মানুষটিকে বিয়ে করলেও হতে পারে! প্রেম চলাকালীন অবস্থায় আপনার করা কিছু ভুলের মাশুল আপনাকে দিতে হতে পারে সারাটা জীবন।
প্রেমের সময়ে করা কোন ভুলগুলো আপনার বিবাহিত জীবনে ডেকে আনতে পারে অশান্তি, তা জেনে নিন।
১। শারীরিক সম্পর্কে জড়ানো : পৃথিবীর কোনো ধর্মই বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ককে সমর্থন করে না। সকল ধর্মেই এ বিষয়ে রয়েছে কড়া নিষেধ।
ধর্মীয়মতে, বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ অনৈতিক।
ছোটবেলা থেকেই যে ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে আমরা বড় হই তাতে শিখে থাকি যে, ধর্মের বিরুদ্ধাচরণ করা পাপ।
এই শিক্ষা আমরা সারা জীবনই বয়ে চলি। তাই যখন বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক হয়, তা মনের ভেতর সূক্ষ্ম পাপবোধ প্রবেশ করিয়ে দেয়। ভালোবাসার মানুষটিকে বিয়ের পরও তা মনের ভেতর কাঁটার মতো বিঁধে থাকে। আর তাছাড়া এটা চরিত্রের ওপর একটা দাগও বটে! ধরুন, বিয়ের পর ঝগড়া করার সময় রাগের মাথায় আপনার স্বামী বা স্ত্রী যদি এ কথা বলে বসেন যে, “বিয়ের আগে আমার সাথে তোমার শারীরিক সম্পর্ক ছিল, তাহলে তো অনেকের সাথেই থাকতে পারে”! এ কথাতে কিন্তু আপনারই অপমান, আপনার দিকেই কিন্তু আঙুল তোলা হলো! তাই আবেগের তোড়ে ভেসে গিয়ে বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কে না জড়ানোই উচিত হবে।
আর যদি ভালোবাসার মানুষটির সাথে বিয়ে না হয়ে অন্য কারো সাথে বিয়ে হয়, তাহলে পাপবোধের বোঝা আপনাকে বয়ে বেড়াতে হবে সারাটা জীবন। মনে খচখচ করতে থাকবে, আপনি প্রতারণা করেছেন আপনার স্বামী বা স্ত্রীর সাথে।
২। পরিবার বা বন্ধুদের কাছে প্রেমিক/ প্রেমিকার দুর্নাম করা : ভালোবাসার সম্পর্কে টানাপোড়েন হতে পারে। হতে পারে মান-অভিমান, মনোমালিন্য, ঝগড়াও। যাই হোক না কেন, ভুলেও নিজের প্রেমিক বা প্রেমিকা সম্পর্কে কোনো কটু কথা আপনার পরিবারের কাউকে বা বন্ধুদের বলবেন না। এমনকি তাঁর কোনো দোষ বা দুর্বলতার কথাও বলবেন না। কারণ বিয়ের পর আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকার কানে এসব কথা কোনো না কোনোভাবে পৌঁছবেই! আর তখন তৈরি হবে সংসারে অশান্তি। এসব কারণে বিয়ের সম্পর্ক ভেঙে পর্যন্ত
যেতে পারে! তাই সতর্ক থাকুন। প্রচন্ড রেগে গেলেও নিজেকে সামলে নিন এবং প্রেমিক বা প্রেমিকার নামে দুর্নাম করা থেকে বিরত থাকুন।
৩। অগ্রিম অর্থনৈতিক আশ্বাস দেয়া : এ বিষয়টি মূলত ছেলেদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপনার প্রেমিকাকে এমন কোনো অর্থনৈতিক আশ্বাস দেবেন না, যা আপনার পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়।
অনেক সময় আবেগের বশে বলে ফেলা কথা বা প্রতিশ্রুতি হয়তো পরবর্তীতে রাখার মতো অবস্থা থাকে না। ফলে বিয়ের পরে মেয়েদের আশা ভঙ্গ হয় এবং তাঁরা স্বামীদের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলে। আবার অনেক মেয়ে দেখা যায় এই অর্থনৈতিক আশ্বাস শুনে লোভে পড়ে বিয়েতে আগ্রহী হয়ে ওঠে, যা অবশ্যই একজন পুরুষের কাম্য নয়।
আপনি হয়তো আপনার স্ত্রীকে ভালোবেসে অনেক কিছুই দিতে চাইবেন, সেটাই স্বাভাবিক। যেমন একটা বাড়ি বা গয়নাগাটি অথবা বিলাসী জীবন। কিন্তু সব ধরনের সফলতা অর্জন করা সব মানুষের পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই হয়তো আপনার সব চাওয়া আপনি পূরণ করতে নাও পেরে উঠতে পারেন। এ কথাটি সব সময় মাথায় রাখুন এবং প্রেমিকাকে অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতি দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
৪। নিজের পারিবারিক ব্যাপারে সত্য গোপন করা : যে মানুষটিকে আপনি ভালোবাসেন, বিয়ে করতে চান, তাঁর সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে আপনার পরিবার সম্পর্কে জানার। অনেকেই ভাবেন, প্রেমের সময় সবকিছু জানানোর কী দরকার? বিয়ের পর তো জানতে পারবেই! কিন্তু এই ভাবনাটি ভুল। আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকাকে আপনার পরিবার সম্পর্কিত সব তথ্য জানান, কোনো কিছুই গোপন করবেন না। কারণ বিয়ের পর তিনি যদি গোপন কিছু জানতে পারেন, তাহলে তা সংসারে অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আপনি হয়ে উঠবেন তাঁর অবিশ্বাসের পাত্র।
অনেকের পরিবারেই অনেক সমস্যা থাকতে পারে। যেমন কারো বাড়িতে বিমাতা রয়েছে, কারো বাবা-মা ডিভোর্সড, কারো ভাই, বোন, মা বা বাবা মানসিকভাবে অসুস্থ ইত্যাদি।
পরিবারে এমন কোনো ব্যাপার থাকলে আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকাকে তা অবশ্যই জানান। এসব বিষয় গোপন করলে তা আপনার বিবাহপরবর্তী জীবনে কাল হয়ে দাঁড়াবে।
৫। প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে বন্ধুত্ব রক্ষা করা : অনেকের জীবনে একের অধিক প্রেম আসে। আপনার বর্তমান প্রেমের সম্পর্কের আগেও হয়তো আরেকটি প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ ব্যাপারটি বর্তমান ভালোবাসার মানুষটির কাছে গোপন না করাই ভালো।
অনেকেরই প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে গেলেও প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে যোগাযোগ থাকে বা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকে। বিয়ের আগ পর্যন্ত ব্যাপারটি ঠিক আছে। কিন্তু বিয়ের পর ব্যাপারটি সংসারে আগুন লাগানোর জন্য যথেষ্ট। স্বামী বা স্ত্রী এ নিয়ে আপনাকে খোটা দিতেই পারে। এ ব্যাপারটি থেকে ঘটতে পারে দাম্পত্য কলহের সূত্রপাত।
তাই নতুন সম্পর্কে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিন। আর বিয়ের পরে তা যেন অবশ্যই না থাকে।
এতে আপনারই মঙ্গল।
৬। বন্ধুদের অতিরিক্ত সময় দেয়া : বন্ধু-বান্ধবদের সাথে আড্ডা দিতে কার না ভালো লাগে! তবে তা অভ্যাস বা আসক্তির পর্যায়ে যেন না চলে যায়। কারণ প্রেমের সম্পর্কের সময়েও আমরা বন্ধুদের পর্যাপ্ত সময় দিতে পারি, কিন্তু বিয়ের পর তা আর সম্ভব হয় না। কিন্তু আপনি যদি এই অভ্যাসটি ধরে রাখতে চান, তাহলে সাংসারিক জীবনে অশান্তি আসবেই আসবে! কোনো স্বামী বা স্ত্রী চাইবেন না যে আপনি তাঁকে ছাড়া অন্য কোথাও অঢেল সময় ব্যয় করতে থাকেন। তাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।
তাছাড়া প্রেমের সময়ে বেশি আড্ডাবাজ প্রকৃতির পুরুষকে অনেক নারীই আদর্শ স্বামী মনে করেন না, তাই বিয়ে প্ল্যান মাথায় থাকলে আড্ডাবাজ স্বভাবটা আস্তে আস্তে বদলে ফেলুন।
তৈরি হয় সুন্দর একটা সম্পর্ক।
ভালোবাসার সম্পর্কই গড়ায় বিয়ের সম্পর্কের দিকে। ফলে পরিণয়ের পরিণতি হয় সুন্দর একটা সংসার। তবে সব সময়েই কি ভালোবাসার মানুষের সাথে বিয়ে হয়? হয় না! তাই বলে তো জীবন থেমে থাকে না। মানুষ বিয়ে করে অন্য কাউকে করে যেতে থাকে সংসার। সেই সংসার যে সুখের হয় না, তাও নয়। সুখের হয় এবং অনেক সময় এ ভাবনাও মনে উঁকি দিয়ে যায় যে, এ মানুষটিই আমার জন্য “পারফেক্ট”! কিন্তু প্রেমের সময় করা কিছু ভুল কেড়ে নিতে পারে আপনার সংসারের শান্তি। ছারখার করে দিতে পারে আপনার সুখের জীবন। এটা যে শুধু প্রেমিক বা প্রেমিকা ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করলে হবে তা নয়, ভালোবাসার মানুষটিকে বিয়ে করলেও হতে পারে! প্রেম চলাকালীন অবস্থায় আপনার করা কিছু ভুলের মাশুল আপনাকে দিতে হতে পারে সারাটা জীবন।
প্রেমের সময়ে করা কোন ভুলগুলো আপনার বিবাহিত জীবনে ডেকে আনতে পারে অশান্তি, তা জেনে নিন।
১। শারীরিক সম্পর্কে জড়ানো : পৃথিবীর কোনো ধর্মই বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ককে সমর্থন করে না। সকল ধর্মেই এ বিষয়ে রয়েছে কড়া নিষেধ।
ধর্মীয়মতে, বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ অনৈতিক।
ছোটবেলা থেকেই যে ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে আমরা বড় হই তাতে শিখে থাকি যে, ধর্মের বিরুদ্ধাচরণ করা পাপ।
এই শিক্ষা আমরা সারা জীবনই বয়ে চলি। তাই যখন বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক হয়, তা মনের ভেতর সূক্ষ্ম পাপবোধ প্রবেশ করিয়ে দেয়। ভালোবাসার মানুষটিকে বিয়ের পরও তা মনের ভেতর কাঁটার মতো বিঁধে থাকে। আর তাছাড়া এটা চরিত্রের ওপর একটা দাগও বটে! ধরুন, বিয়ের পর ঝগড়া করার সময় রাগের মাথায় আপনার স্বামী বা স্ত্রী যদি এ কথা বলে বসেন যে, “বিয়ের আগে আমার সাথে তোমার শারীরিক সম্পর্ক ছিল, তাহলে তো অনেকের সাথেই থাকতে পারে”! এ কথাতে কিন্তু আপনারই অপমান, আপনার দিকেই কিন্তু আঙুল তোলা হলো! তাই আবেগের তোড়ে ভেসে গিয়ে বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কে না জড়ানোই উচিত হবে।
আর যদি ভালোবাসার মানুষটির সাথে বিয়ে না হয়ে অন্য কারো সাথে বিয়ে হয়, তাহলে পাপবোধের বোঝা আপনাকে বয়ে বেড়াতে হবে সারাটা জীবন। মনে খচখচ করতে থাকবে, আপনি প্রতারণা করেছেন আপনার স্বামী বা স্ত্রীর সাথে।
২। পরিবার বা বন্ধুদের কাছে প্রেমিক/ প্রেমিকার দুর্নাম করা : ভালোবাসার সম্পর্কে টানাপোড়েন হতে পারে। হতে পারে মান-অভিমান, মনোমালিন্য, ঝগড়াও। যাই হোক না কেন, ভুলেও নিজের প্রেমিক বা প্রেমিকা সম্পর্কে কোনো কটু কথা আপনার পরিবারের কাউকে বা বন্ধুদের বলবেন না। এমনকি তাঁর কোনো দোষ বা দুর্বলতার কথাও বলবেন না। কারণ বিয়ের পর আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকার কানে এসব কথা কোনো না কোনোভাবে পৌঁছবেই! আর তখন তৈরি হবে সংসারে অশান্তি। এসব কারণে বিয়ের সম্পর্ক ভেঙে পর্যন্ত
যেতে পারে! তাই সতর্ক থাকুন। প্রচন্ড রেগে গেলেও নিজেকে সামলে নিন এবং প্রেমিক বা প্রেমিকার নামে দুর্নাম করা থেকে বিরত থাকুন।
৩। অগ্রিম অর্থনৈতিক আশ্বাস দেয়া : এ বিষয়টি মূলত ছেলেদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপনার প্রেমিকাকে এমন কোনো অর্থনৈতিক আশ্বাস দেবেন না, যা আপনার পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়।
অনেক সময় আবেগের বশে বলে ফেলা কথা বা প্রতিশ্রুতি হয়তো পরবর্তীতে রাখার মতো অবস্থা থাকে না। ফলে বিয়ের পরে মেয়েদের আশা ভঙ্গ হয় এবং তাঁরা স্বামীদের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলে। আবার অনেক মেয়ে দেখা যায় এই অর্থনৈতিক আশ্বাস শুনে লোভে পড়ে বিয়েতে আগ্রহী হয়ে ওঠে, যা অবশ্যই একজন পুরুষের কাম্য নয়।
আপনি হয়তো আপনার স্ত্রীকে ভালোবেসে অনেক কিছুই দিতে চাইবেন, সেটাই স্বাভাবিক। যেমন একটা বাড়ি বা গয়নাগাটি অথবা বিলাসী জীবন। কিন্তু সব ধরনের সফলতা অর্জন করা সব মানুষের পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই হয়তো আপনার সব চাওয়া আপনি পূরণ করতে নাও পেরে উঠতে পারেন। এ কথাটি সব সময় মাথায় রাখুন এবং প্রেমিকাকে অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতি দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
৪। নিজের পারিবারিক ব্যাপারে সত্য গোপন করা : যে মানুষটিকে আপনি ভালোবাসেন, বিয়ে করতে চান, তাঁর সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে আপনার পরিবার সম্পর্কে জানার। অনেকেই ভাবেন, প্রেমের সময় সবকিছু জানানোর কী দরকার? বিয়ের পর তো জানতে পারবেই! কিন্তু এই ভাবনাটি ভুল। আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকাকে আপনার পরিবার সম্পর্কিত সব তথ্য জানান, কোনো কিছুই গোপন করবেন না। কারণ বিয়ের পর তিনি যদি গোপন কিছু জানতে পারেন, তাহলে তা সংসারে অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আপনি হয়ে উঠবেন তাঁর অবিশ্বাসের পাত্র।
অনেকের পরিবারেই অনেক সমস্যা থাকতে পারে। যেমন কারো বাড়িতে বিমাতা রয়েছে, কারো বাবা-মা ডিভোর্সড, কারো ভাই, বোন, মা বা বাবা মানসিকভাবে অসুস্থ ইত্যাদি।
পরিবারে এমন কোনো ব্যাপার থাকলে আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকাকে তা অবশ্যই জানান। এসব বিষয় গোপন করলে তা আপনার বিবাহপরবর্তী জীবনে কাল হয়ে দাঁড়াবে।
৫। প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে বন্ধুত্ব রক্ষা করা : অনেকের জীবনে একের অধিক প্রেম আসে। আপনার বর্তমান প্রেমের সম্পর্কের আগেও হয়তো আরেকটি প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ ব্যাপারটি বর্তমান ভালোবাসার মানুষটির কাছে গোপন না করাই ভালো।
অনেকেরই প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে গেলেও প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে যোগাযোগ থাকে বা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকে। বিয়ের আগ পর্যন্ত ব্যাপারটি ঠিক আছে। কিন্তু বিয়ের পর ব্যাপারটি সংসারে আগুন লাগানোর জন্য যথেষ্ট। স্বামী বা স্ত্রী এ নিয়ে আপনাকে খোটা দিতেই পারে। এ ব্যাপারটি থেকে ঘটতে পারে দাম্পত্য কলহের সূত্রপাত।
তাই নতুন সম্পর্কে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিন। আর বিয়ের পরে তা যেন অবশ্যই না থাকে।
এতে আপনারই মঙ্গল।
৬। বন্ধুদের অতিরিক্ত সময় দেয়া : বন্ধু-বান্ধবদের সাথে আড্ডা দিতে কার না ভালো লাগে! তবে তা অভ্যাস বা আসক্তির পর্যায়ে যেন না চলে যায়। কারণ প্রেমের সম্পর্কের সময়েও আমরা বন্ধুদের পর্যাপ্ত সময় দিতে পারি, কিন্তু বিয়ের পর তা আর সম্ভব হয় না। কিন্তু আপনি যদি এই অভ্যাসটি ধরে রাখতে চান, তাহলে সাংসারিক জীবনে অশান্তি আসবেই আসবে! কোনো স্বামী বা স্ত্রী চাইবেন না যে আপনি তাঁকে ছাড়া অন্য কোথাও অঢেল সময় ব্যয় করতে থাকেন। তাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।
তাছাড়া প্রেমের সময়ে বেশি আড্ডাবাজ প্রকৃতির পুরুষকে অনেক নারীই আদর্শ স্বামী মনে করেন না, তাই বিয়ে প্ল্যান মাথায় থাকলে আড্ডাবাজ স্বভাবটা আস্তে আস্তে বদলে ফেলুন।
কোকাকোলার নামে আমরা কি খাচ্ছি?
বিখ্যাত কোমল পানীয় কোকাকোলা। এটা শরীরের জন্য কত ক্ষতিকর তা বোঝাতে
কোকাকোলার সাথে পয়সার বিক্রিয়া কিংবা কোকাকোলা গরম করলে কী বিক্রিয়া হয়, তা
নিয়ে বহু ভিডিও আমরা প্রায় সবাই দেখেছি। কিন্তু তারপরও কি কোকাকোলা খাওয়া
একদিনের জন্য বাদ দিয়েছি আমরা?
মিষ্টি এই পানীয় আসলেই শরীরের ভেতরে কীভাবে কাজ করে তা জানতে বেশ কিছুদিন ধরে গবেষণা করেছেন ফার্মাসিস্ট নিরাজ নায়েক। আর তিনি যা পেয়েছেন সেটা সত্যিই চিন্তিত হওয়ার মতো।
যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম ডেইলি স্টার অনলাইন জানিয়েছে, কোকাকোলা খাওয়ার এক ঘণ্টা পর এটি শরীরের মধ্যে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা একটি গ্রাফের মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করেছেন নিরাজ। সেখানে দেখা গেছে, প্রথম চুমুক দেওয়ার পর থেকে ৬০ মিনিট পর পর্যন্ত সাতটি ধাপে এই কোমল পানীয় শরীরের মধ্যে বিক্রিয়া করে।
একটি ৩৩০ মিলিলিটারে এক ক্যান কোকাকোলা পানের মাধ্যমে ১০ চা চামচ পরিমাণ চিনি সরাসরি আপনার শরীরে প্রবেশ করে। যা প্রতিদিন গ্রহণযোগ্য চিনির পরিমাণের মাত্রার প্রায় আড়াই গুণ।
এ বিষয়ে নিরাজ তাঁর নিজস্ব ব্লগে লিখেছেন, চিনির মাত্রাটা এতটা বেশি যে এটা সরাসরি গ্রহণ করলে যে কারো বমি পেয়ে যেতে পারে। কিন্তু কোকাকোলার ভেতরে থাকা ফসফরিক এসিড এই অতিরিক্ত মিষ্টি স্বাদকে হালকা করে দেয় ফলে আরামসে পানীয়টি গলধঃকরণ করেন আপনি।
পুষ্টিবিদ ইলা এলার্ড মেট্রো ডেইলি স্টার অনলাইনকে বলেন, ‘কোক সম্পর্কে এই ভয়ঙ্কর তথ্য আপনাকে চমকে দেবে। তবে এসব জানার কারণে উপকার যেটা হয়েছে সেটা হলো এখন থেকে কোকাকোলা পানের আগে সেটা ভেবে আপনি বিরত থাকবেন।’
শরীরের ভেতরে কোকাকোলার প্রতিক্রিয়া নিরাজ দেখিয়েছেন কয়েকটি ধাপে :
প্রথম ১০ মিনিট পরে : ১০ চা চামচ চিনি আপনার শরীরের ভেতরের ব্যবস্থাকে আঘাত করে। এটার অতিরিক্ত মিষ্টতার কারণে আপনি বমিও করে দিতে পারেন। কিন্তু এর রেসিপিতে থাকে ফসফরিক এসিড। আর এটাই অতিরিক্ত মিষ্টতা কমিয়ে দেয় যাতে আপনি এটা পান করতে পারেন।
২০ মিনিট পরে : আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায় আর ইনসুলিনের বিস্ফোরণ ঘটে। প্রচুর পরিমাণ চিনি যকৃতের মধ্যে চর্বি তৈরি করে।
৪০ মিনিট পরে : এই সময়ের মধ্যে ক্যাফেইন পুরোপুরি শোষিত হয়ে যায়। আপনার রক্তচাপ বাড়তে থাকে। এতে করে আপনার যকৃত বা লিভারে আরো চিনি ঢুকে পড়ে।
৪৫ মিনিট পর : এই সময় আপনার শরীরের ডোপামিন উৎপাদন বেড়ে যায় এবং আপনার মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগায়। মাদক হেরোইন যেভাবে কাজ করে ঠিক সেভাবেই এটা আপনার ওপর কাজ করে।
৬০ মিনিট পর : আপনার শরীরের অন্ত্রের নিচের দিকে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়া ও জিংকের সাথে বিক্রিয়া করে ফসফরিক এসিড। যা বিপাককে হঠাৎ করে বাড়িয়ে দেয়। উচ্চমাত্রার চিনি ও কৃত্রিম চিনির কারণে রেচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্যালসিয়াম দেহ থেকে বের হয়ে যায়।
এই সময়ের পরে ক্যাফেইনের মূত্রবর্ধক বৈশিষ্ট্য কাজ করতে শুরু করে। এর মানে এই সময় আপনার প্রসাবের বেগ আসে। অর্থাৎ এবার প্রসাবের মাধ্যমে আপনার শরীর ও হাড় থেকে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, সোডিয়াম, ইলেকট্রোলাইট ও পানি বের হয়ে আসবে।
এ সময় আপনি খিটখিটে হয়ে যেতে পারেন। কারণ কোকের সঙ্গে আপনি যেটুকু পানি গ্রহণ করেছিলেন সেটুকুও আপনার শরীর থেকে বের হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে ডেইলি স্টার অনলাইন কোকাকোলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের এক মুখপাত্র বলেন, ‘১২৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ আনন্দের সাথে কোকাকোলা পান করে আসছে। অন্য সব কোমল পানীয়র মতো এটাও পানের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং সুষম খাদ্য হিসেবে গ্রহণের জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত।’
-সংগ্রীহিত
মিষ্টি এই পানীয় আসলেই শরীরের ভেতরে কীভাবে কাজ করে তা জানতে বেশ কিছুদিন ধরে গবেষণা করেছেন ফার্মাসিস্ট নিরাজ নায়েক। আর তিনি যা পেয়েছেন সেটা সত্যিই চিন্তিত হওয়ার মতো।
যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম ডেইলি স্টার অনলাইন জানিয়েছে, কোকাকোলা খাওয়ার এক ঘণ্টা পর এটি শরীরের মধ্যে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা একটি গ্রাফের মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করেছেন নিরাজ। সেখানে দেখা গেছে, প্রথম চুমুক দেওয়ার পর থেকে ৬০ মিনিট পর পর্যন্ত সাতটি ধাপে এই কোমল পানীয় শরীরের মধ্যে বিক্রিয়া করে।
একটি ৩৩০ মিলিলিটারে এক ক্যান কোকাকোলা পানের মাধ্যমে ১০ চা চামচ পরিমাণ চিনি সরাসরি আপনার শরীরে প্রবেশ করে। যা প্রতিদিন গ্রহণযোগ্য চিনির পরিমাণের মাত্রার প্রায় আড়াই গুণ।
এ বিষয়ে নিরাজ তাঁর নিজস্ব ব্লগে লিখেছেন, চিনির মাত্রাটা এতটা বেশি যে এটা সরাসরি গ্রহণ করলে যে কারো বমি পেয়ে যেতে পারে। কিন্তু কোকাকোলার ভেতরে থাকা ফসফরিক এসিড এই অতিরিক্ত মিষ্টি স্বাদকে হালকা করে দেয় ফলে আরামসে পানীয়টি গলধঃকরণ করেন আপনি।
পুষ্টিবিদ ইলা এলার্ড মেট্রো ডেইলি স্টার অনলাইনকে বলেন, ‘কোক সম্পর্কে এই ভয়ঙ্কর তথ্য আপনাকে চমকে দেবে। তবে এসব জানার কারণে উপকার যেটা হয়েছে সেটা হলো এখন থেকে কোকাকোলা পানের আগে সেটা ভেবে আপনি বিরত থাকবেন।’
শরীরের ভেতরে কোকাকোলার প্রতিক্রিয়া নিরাজ দেখিয়েছেন কয়েকটি ধাপে :
প্রথম ১০ মিনিট পরে : ১০ চা চামচ চিনি আপনার শরীরের ভেতরের ব্যবস্থাকে আঘাত করে। এটার অতিরিক্ত মিষ্টতার কারণে আপনি বমিও করে দিতে পারেন। কিন্তু এর রেসিপিতে থাকে ফসফরিক এসিড। আর এটাই অতিরিক্ত মিষ্টতা কমিয়ে দেয় যাতে আপনি এটা পান করতে পারেন।
২০ মিনিট পরে : আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায় আর ইনসুলিনের বিস্ফোরণ ঘটে। প্রচুর পরিমাণ চিনি যকৃতের মধ্যে চর্বি তৈরি করে।
৪০ মিনিট পরে : এই সময়ের মধ্যে ক্যাফেইন পুরোপুরি শোষিত হয়ে যায়। আপনার রক্তচাপ বাড়তে থাকে। এতে করে আপনার যকৃত বা লিভারে আরো চিনি ঢুকে পড়ে।
৪৫ মিনিট পর : এই সময় আপনার শরীরের ডোপামিন উৎপাদন বেড়ে যায় এবং আপনার মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগায়। মাদক হেরোইন যেভাবে কাজ করে ঠিক সেভাবেই এটা আপনার ওপর কাজ করে।
৬০ মিনিট পর : আপনার শরীরের অন্ত্রের নিচের দিকে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়া ও জিংকের সাথে বিক্রিয়া করে ফসফরিক এসিড। যা বিপাককে হঠাৎ করে বাড়িয়ে দেয়। উচ্চমাত্রার চিনি ও কৃত্রিম চিনির কারণে রেচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্যালসিয়াম দেহ থেকে বের হয়ে যায়।
এই সময়ের পরে ক্যাফেইনের মূত্রবর্ধক বৈশিষ্ট্য কাজ করতে শুরু করে। এর মানে এই সময় আপনার প্রসাবের বেগ আসে। অর্থাৎ এবার প্রসাবের মাধ্যমে আপনার শরীর ও হাড় থেকে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, সোডিয়াম, ইলেকট্রোলাইট ও পানি বের হয়ে আসবে।
এ সময় আপনি খিটখিটে হয়ে যেতে পারেন। কারণ কোকের সঙ্গে আপনি যেটুকু পানি গ্রহণ করেছিলেন সেটুকুও আপনার শরীর থেকে বের হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে ডেইলি স্টার অনলাইন কোকাকোলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের এক মুখপাত্র বলেন, ‘১২৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ আনন্দের সাথে কোকাকোলা পান করে আসছে। অন্য সব কোমল পানীয়র মতো এটাও পানের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং সুষম খাদ্য হিসেবে গ্রহণের জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত।’
-সংগ্রীহিত
এবার 'মৃত' মানুষকে জীবিত করবে বিজ্ঞানীরা!
যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের প্রতিষ্ঠান বায়োটেক দীর্ঘদিন ধরেই 'ক্লিনিকালি ডেড' বা মৃত ঘোষণা করা মানুষকে জীবিত করতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে আসছেন। কিন্তু এ বিষয়ে দেশটির সরকারের অনুমতি ছিল না। এবার এ বিষয়ে নৈতিকভাবে সরকারের অনুমতি মিলেছে। গবেষকরা এখন থেকে বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় সব গবেষণা কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।
চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়োটেকের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রাথমিক পরীক্ষায় ক্লিনিক্যালি মৃত ঘোষণা করা হয়েছে এমন ২০টি দেহের ওপর কিছু থেরাপির সমন্বয় করবে তারা। এর মাধ্যমে তারা পর্যবেক্ষণ করবে আসলে মস্তিষ্ক কোনো ইতিবাচক সাড়া দেয় কিনা। অথবা তার মস্তিষ্ককে পুনরায় সক্রিয় করা যায় কিনা। এ গবেষণার মাধ্যমে তারা বিশেষ অগ্রগামী ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন গবেষকরা।
আরেক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়োকোয়ার্ক ইনকরপোরেট এর নির্বাহী প্রধান ড. ইরা পাস্তুর জানান, 'সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এটাই প্রথম গবেষণা। আমরা সবেমাত্র এ ধরনের পরীক্ষার অনুমতি পেয়েছি। যে রোগীদের পেয়েছি তাদের ওপর প্রথম থেকেই পরীক্ষা শুরু হবে। রোগীদের পরিবারের কোনো আপত্তি রয়েছে কিনা তা নিয়েও তাদের সঙ্গে কথা বলা হবে। আশা করছি, গবেষণা শুরুর প্রথম দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে অগ্রগতি সাধিত হবে।'
ক্লিনিক্যালি মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছে এমন রোগীদের লাইফ সাপোর্টে বাঁচিয়ে রাখা হবে। এরপর কয়েক মাস ধরে তাদের ওপর চলবে গবেষণা। এর মাধমে বিজ্ঞানীরা সাধারণত মস্তিষ্কের বিশেষ করে আপার সিগনাল কর্ডকে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করবেন। কেননা এই অংশটি মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে।
বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, মস্তিষ্কের স্টিম সেলগুলো থেকে যাবতীয় ইতিহাস মুছে তাদের আবার নতুনভাবে সাজানো যায়।
চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়োটেকের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রাথমিক পরীক্ষায় ক্লিনিক্যালি মৃত ঘোষণা করা হয়েছে এমন ২০টি দেহের ওপর কিছু থেরাপির সমন্বয় করবে তারা। এর মাধ্যমে তারা পর্যবেক্ষণ করবে আসলে মস্তিষ্ক কোনো ইতিবাচক সাড়া দেয় কিনা। অথবা তার মস্তিষ্ককে পুনরায় সক্রিয় করা যায় কিনা। এ গবেষণার মাধ্যমে তারা বিশেষ অগ্রগামী ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন গবেষকরা।
আরেক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বায়োকোয়ার্ক ইনকরপোরেট এর নির্বাহী প্রধান ড. ইরা পাস্তুর জানান, 'সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এটাই প্রথম গবেষণা। আমরা সবেমাত্র এ ধরনের পরীক্ষার অনুমতি পেয়েছি। যে রোগীদের পেয়েছি তাদের ওপর প্রথম থেকেই পরীক্ষা শুরু হবে। রোগীদের পরিবারের কোনো আপত্তি রয়েছে কিনা তা নিয়েও তাদের সঙ্গে কথা বলা হবে। আশা করছি, গবেষণা শুরুর প্রথম দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে অগ্রগতি সাধিত হবে।'
ক্লিনিক্যালি মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছে এমন রোগীদের লাইফ সাপোর্টে বাঁচিয়ে রাখা হবে। এরপর কয়েক মাস ধরে তাদের ওপর চলবে গবেষণা। এর মাধমে বিজ্ঞানীরা সাধারণত মস্তিষ্কের বিশেষ করে আপার সিগনাল কর্ডকে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করবেন। কেননা এই অংশটি মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে।
বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, মস্তিষ্কের স্টিম সেলগুলো থেকে যাবতীয় ইতিহাস মুছে তাদের আবার নতুনভাবে সাজানো যায়।
পুরুষের তুলনায় মহিলারা বেশিদিন বাঁচে! কারণগুলো কি জানেন?
বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে মহিলারা পুরুষদের তুলনায় দীর্ঘজীবী হন। পুরুষদের চেয়ে তারা বেশিদিন বেঁচে থাকেন। যতই মহিলাদের পুরুষের তুলনায় দুর্বল মনে করার ভুলধারণা অতীত এখন, গবেষনা বলছে পুরুষদের তুলনায় মহিলারা ৫-৬ বছর বেশি বাঁচেন।
গবেষণায় দেখা গিয়েছে বিশ্বের দীর্ঘজীবী ৩৪ জনের মধ্যে মাত্র ২ জন পুরুষ।
এটা সত্যি যে পুরুষরা মহিলাদের চেয়ে বেশি জোরে দৌড়তে পারে। মহিলাদের তুলনায় বেশি ওজন তুলতে পারে, তবে জীবন দৌড়ে কিন্তু মহিলারাই এগিয়ে।
কিন্তু এর পিছনে কারণগুলি কী তা কি জানেন। জানতে হলে চোখ রাখুন নিচের স্লাইডে।
গর্ভে থাকাকালীন গর্ভে থাকাকালীন কন্যা ভ্রূণের বৃদ্ধির হার অপেক্ষাকৃত বেশি। শারীরিকভাবে পরিপক্ক অবস্থাতে জন্ম নেয় কন্যা সন্তান। সেখানে পুত্র সন্তানের জন্মের পরও তার শারীরিক গঠন হতে থাকে।
ক্যাফেইন গ্রহণে গর্ভপাত ঘটতে পারে!
ক্যাফেইনসমৃদ্ধ পানীয় বেশি পরিমাণে গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, একথা সবারই জানা। তবে এই ক্ষতির গর্ভধারণের ক্ষেত্রেও প্রকট হয়ে দেখা দিতে পারে। স্বামী ও স্ত্রী উভয়েরই ক্যাফেইন গ্রহণের কারণে গর্ভপাত ঘটতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষণায় এ দাবি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ যৌথভাবে নারী-পুরুষের ক্যাফেইন গ্রহণের সঙ্গে গর্ভধারণের ওপর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেন। এখানে পূর্বের এক গবেষণার তথ্য ব্যবহার করা হয়। গত বৃহস্পতিবার ‘ফার্টিলিটি অ্যান্ড স্টেরিলিটি’ সাময়িকীতে এ-সংক্রান্ত গবেষণা নিবন্ধটি প্রকাশিত হেছ।
পূর্বের গবেষণায় ২০০৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত মিশিগানের ৫০১ দম্পতির সন্তান ধারণের ক্ষমতা, জীবনযাপন, বসবাসের পরিবেশ ও রাসায়নিক দ্রব্যের প্রতিক্রিয়ার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল।
গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে যে কেউ দিনে ক্যাফেইনসমৃদ্ধ দুই বা ততধিক বোতল পানীয় পান করলেই গর্ভপাতের ঝুঁকি দেখা দেয়। আর গর্ভধারণের প্রথম সাত সপ্তাহের মধ্যে ক্যাফেইনসমৃদ্ধ দুইয়ের বেশি বোতল পানীয় পান করা নারীর ক্ষেত্রে গর্ভপাতের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
Subscribe to:
Posts (Atom)


